Modern Veda is Trusted Ayurveda for Better Health at Habra. Step ahead, Book Your Ayurvedic Doctor for Consultation. Call right now - 9832811753
God is Great
More specialty of Modern Veda Ayurvedic Health Center or Naturo Veda Health Care unit at Habra:
1. Modern and Scientific Ayurveda and Naturo Veda at Habra, 2. Take Consultation of Ayush Medical Officer Govt. of West Bengal at Habra, 3. হাবড়ায় Experienced and Trusted Ayurvedic Doctor, If You are searching an Ayurvedic Doctor or Physician for Consultation near Habra , 5. Are you thinking to solve your Gastric or Liver Problem by Ayurveda treatment at Habra, 6. No worry, get an Affordable Consultation, 7. For 100% safe or side effect free treatment, Visit our Experienced Ayurvedic Physician, we are there to take care you 8. Get Complete and Systematic Health Care Ayurvedic Service at Habra, 9. It is a Natural Healing point for any kind of Chronic and Complex Diseases and also Safe & proven Ayurvedic Remedies Center. 10. Big & High Quality Ayurvedic and Herbal Medicine Store at Habra. 11. Get 10 to 20 % Discount on all Ayurvedic and Herbal Medicine, Hence it is for you, a Affordable Ayurvedic and Herbal Medicine Shop at Habra.
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!





Motherhood and Female Health Care, Allopathy Treatment - Supported by Ayurveda to make you side effect free.
"Dr. Subarna Biswas, MBBS, DNB(KOL), Ex R G Kar Hospital, Presently posted at Habra Hospital."
গর্ভবতী মায়েরা যেভাবে নিজের যত্ন নেবেন
গুরুত্ব:
গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসব নারী জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর মধ্য দিয়েই মানব সভ্যতা টিকে থাকে ও এগিয়ে যায়। তাই নিরাপদ গর্ভধারণ এবং সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান জন্মদানের জন্য এ সময় বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। আজ আলোচনা করবো কীভাবে একজন গর্ভবতী মা বাড়িতে তাঁর নিজের যত্ন নিবেন।
খাদ্য, পরিধান ও বিশ্রাম:
গর্ভবতী মায়ের জন্য দরকার সুষম খাদ্যতালিকা। পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ, মাংস, ডাল, ডিম ও দুধ প্রয়োজন। এ ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে মৌসুমি ফল ও শাক-সবজি খেতে হবে। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। এ সময় অতিরিক্ত তেল ও মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই উত্তম। গর্ভাবস্থায় সংসারের ছোটখাট ও স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারবেন। তবে ভারি কাজ অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। প্রতিরাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমাবেন বা বিশ্রাম নিবেন। এ সময় বামপাশে কাত হয়ে শোয়া উত্তম।আরামদায়ক, সহজে পরিধানযোগ্য ও ঢিলেঢালা পোশাক পরবেন। সঠিক মাপের এবং নরম জুতা পরবেন এবং অবশ্যই হিল জুতা পরিহার করবেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ সেবন:
গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে চারবার এবং প্রয়োজনে আরো বেশী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা হাসপাতালে যেয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। এ সময় প্রয়োজন অনুসারে টিটেনাস টিকা নিতে হবে। অনেক ওষুধ আছে, যা গর্ভাবস্থায় মা ও গর্ভের সন্তানের জন্য ক্ষতিকর। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোনো ওষুধ সেবন করা যাবে না।
মানসিক স্বাস্থ্য:
অতিরিক্ত আবেগ, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও ভয় ইত্যাদি গর্ভবতী মা ও সন্তানের জন্য ক্ষতিকর। সবসময় ভালো চিন্তা করতে হবে। মানসিকভাবে চাপমুক্ত ও সুস্থ থাকতে কোরআন তিলাওয়াতসহ বিভিন্ন ইবাদত করা খুবই উপকারী৷
দৈহিক মিলন: শারীরিক কোনো সমস্যা না থাকলে সতর্কতার সঙ্গে গর্ভাবস্থায় দৈহিক মিলন করা যাবে, এটি নিরাপদ। গর্ভাবস্থায় দৈহিক মিলনের নিয়ম ও সতর্কতাগুলো জেনে নিতে হবে। কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শানুযায়ী সাময়িক বিরতি দেওয়া যেতে পারে।
মায়েদের জরায়ুতে টিউমার কি কি কারণে হতে পারে ?
জরায়ুর টিউমারের সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইস্ট্রোজেন হরমোন এই টিউমারের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যান্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে।
বংশগতি: পরিবারে যদি কারো জরায়ুর টিউমার থাকে তাহলে অন্য সদস্যদের এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
জাতি: আফ্রিকান আমেরিকান মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
বয়স: প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন বয়সের মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
মোটা হওয়া: অতিরিক্ত ওজন জরায়ুর টিউমারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
জরায়ুর টিউমারের লক্ষণ:
অনিয়মিত মাসিক: মাসিকের সময় বাড়তি রক্তপাত, অতিরিক্ত দিন ধরে রক্তপাত, মাসিকের মধ্যে রক্তপাত।
পেটে ব্যথা: পেটের নিচের অংশে ব্যথা, পিঠে ব্যথা, যৌন সম্পর্কের সময় ব্যথা।
প্রস্রাবের সমস্যা: বারবার প্রস্রাব করতে ইচ্ছা করা, প্রস্রাব করার সময় ব্যথা, প্রস্রাবে রক্ত।
কোষ্ঠকাঠিন্য: অন্ত্রের গতি স্থবির হওয়া।
পেট ফোলা: পেট ফুলে যাওয়া।
ক্লান্তি: সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা।
লক্ষ্যণগুলি ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে।
জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসা
জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসা:
টিউমারের আকার, অবস্থান, এবং রোগীর বয়স ও স্বাস্থ্যের উপর নির্ভর করে। কিছু ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়
ওষুধ: ব্যথানাশক ওষুধ, রক্তপাত কমানোর ওষুধ, হরমোন থেরাপি ইত্যাদি।
সার্জারি: টিউমার অপসারণের জন্য সার্জারি করা হয়।
ইউটেরাইন আর্টেরি এম্বোলাইজেশন: এই পদ্ধতিতে টিউমারে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
জরায়ুর টিউমার প্রতিরোধ
জরায়ুর টিউমারকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও, নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঝুঁকি কমানো যায়:
সুষম খাদ্য: সুষম খাদ্য গ্রহণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম করা।
ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার: ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকা।
নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ: নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
যদি আপনার জরায়ুর টিউমারের কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Snow Adventure
Our Experienced Doctors



At a glance
God is Great








